কোলেস্টেরল কম করার ঘরোয়া উপায় || Most effective way to lower cholesterol very fast.

কোলেস্টেরল কম করার ঘরোয়া উপায়


আজকাল বেশিরভাগ মানুষেরই কোলেস্টেরল যেন অনিদ্রার কারণ হয়ে উঠেছে। তার কারণ কোলেস্টেরল মানে বিভিন্ন প্রকার হার্টের সমস্যা। কোলেস্টেরল মানে কিন্তু হার্টঅ্যাটাক আর একবার যদি কোলেস্টেরলের মেডিসিন খাওয়া শুরু করা হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফটাইম এই মেডিসিন খেয়ে চলতে হয়। তাই আজকাল যে সমস্ত স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা রয়েছেন তারা সবসময়ই চেষ্টা করেন যে খাবার দাবার কন্ট্রোলের মাধ্যমে বা তাদের খাদ্য তালিকা তে যদি এমন কোন খাবার তারা যুক্ত করতে পারে যে খাবার খাওয়ার মাধ্যমে তারা তাদের কোলেস্টেরলের লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে। 

আজ আমরা তেমনি ১০ প্রকার খাবার নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে এই সমস্ত খাবারগুলি আপনাদের খাদ্যতালিকায় যদি যুক্ত করে নিতে পারেন তাহলে ২ সপ্তাহের মধ্যে আপনাদের বর্তমানে যে কোলেস্টেরলের লেভেল রয়েছে তার থেকে (১৫-২০)% পর্যন্ত কম হতে পারে। 

তো চলুন Article-টি পড়ার জন্য শেষ পর্যন্ত সঙ্গে থাকুন এবং এক এক করে এই সমস্ত খাবারের বিষয়ে খুঁটিনাটি জেনে নিন। 


কোলেস্টেরল কম করার ঘরোয়া উপায় || Most effective way to lower cholesterol very fast.


কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা?


ওটস বা ওটমিল : 

আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় যে খাবারটি সর্বপ্রথম রেখেছি সেটি হল ওটস বা ওটমিল। ওটস আজকাল খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আমরা যখন ওটস খাই ওটস এর মধ্যে বিটাগ্লুকোন বলে এক ধরনের সলিউবল ফাইবার থাকে। যে সলিউবল ফাইবার আমাদের ইন্তেস্টিনে কোলেস্টেরলের এবজবসেন কম করে দিতে সাহায্য করে এবং আমাদের রক্ত থেকে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমিয়ে নিয়ে আসে। তাই সকাল বেলার ব্রেকফাস্ট না হলে রাত্রিবেলা ডিনারে অবশ্যই আপনি ওটস খেতে পারেন।

অনেকে প্রশ্ন করেন যে বাজারে বিভিন্ন প্রকারের ওটস পাওয়া যায় কোন ওটস আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশি উপকারী দেখুন। বাজারে যে সমস্ত ওটস পাওয়া যায় তার মধ্যে যেকোনো একটি রেপুটেড কোম্পানির রলড ওটস কিনে খাবার চেষ্টা করবেন। 

সোয়াচাংক বা সোয়াবড়ি : 

দ্বিতীয় যে খাবারটি কথা আপনাদের বলব সেটি হল সোয়াচাংক বা সোয়াবড়ি, যেটিকে অনেকেই সয়াবিন বলে থাকেন। দেখুন এ সোয়াচাংক বা সোয়াবড়ি এমন এক ধরনের খাবার এটিকে আমরা সবজি বানিয়ে আরামসে আমাদের লাঞ্চ, ডিনার, ব্রেকফাস্ট এর সাথে ইনক্লুড করতে পারি। এর মধ্যে এমন হাই কোয়ালিটির প্রোটিন রয়েছে যে প্রোটিন না আপনি মাছের থেকে পাবেন, না আপনি মাংসের থেকে পাবেন, না আপনি ডিমের থেকে পাবেন এবং তার সাথে সাথে এর মধ্যে রয়েছে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড এবং মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের মতো গুড ফ্যাট যেগুলি আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে

এবং তার সাথে সাথে এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের রক্ত থেকে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে। সবে মিলে মিশে অবশ্যই আপনি সোয়াচাংক বা সোয়াবড়ি আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। আপনি যদি একজন হাই কোলেস্টেরল এর প্রেসেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার খাদ্য তালিকাতে রাজমা বা কিডনি বিনসকে রাখতে পারেন। দেখুন এ রাজমা এমন এক ধরনের দানাশস্য এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে সলিউবল ফাইবার রয়েছে এবং তার সাথে সাথে আলফা গ্যালাকটোজ সাইট বলে এক ধরনের ইনসলুবেল ফাইবারও রয়েছে। এই দুই ধরনের ফাইবার আপনার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং তার সাথে সাথে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে, রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম যেগুলি আপনার আর্টারি গুলিকে প্রসারিত করে রাখতে সাহায্য করে আপনার শরীরের ব্লাড ফ্লো বাড়াতে সাহায্য করে এবং তার সাথে সাথে আপনার রক্তচাপকেও রাখে নিয়ন্ত্রণ।

লেডি ফিংগার বা ঢেড়স : 

লেডি ফিংগার বা ভেন্ডি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করার জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি সবজি। দেখুন আমরা সবাই জানি যে ভেন্ডির মধ্যে যে মিউসিলেজ থাকে বা পিচ্ছিল জাতীয় যে পদার্থটি থাকে সেটি এক ধরনের সলিউবেল ফাইবার যার নাম হল পেকটিন। এই পেকটিন আমাদের ইন্টেসটাইনে কোলেস্টেরলের এবসেনকে কম করতে সাহায্য করে এবং তার সাথে সাথে লিভারের থেকে যে বাইল বা পিত্তরস নিঃসৃত হয় সে পিত্তরসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে। সেই পিত্তরসের এবসেনও কিন্তু আমাদের ইন্টেসটাইন এ কমে যায় এবং ওই পিত্তরসের মধ্যে যে কোলেস্টেরল থাকে সে কোলেস্টেরল গুলিকে বাইন্ড করে আমাদের স্টুলের মাধ্যমে আমাদের শরীরের বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই অবশ্যই আপনার খাদ্য তালিকার মধ্যে ভেন্ডি রাখতে পারেন আপনার রক্ত থেকে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করার জন্য। আপনার কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য আপনি ভিন্ডি সেদ্ধ করে খেতে পারেন। 

আর না হলে খুবই পপুলার একটি রেমিডি হল ওকরা ওয়াটার বা ভেন্ডি ভিজিয়ে রেখে জল। দেখুন সেক্ষেত্রে আপনি রাত্রিবেলা বিছানায় শুতে যাবার সময় চার থেকে পাঁচটা ভেন্ডি কে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে সেটিকে টুকরো টুকরো করে কেটে এক গ্লাস জল এর মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। তার পরের দিন সকালবেলা সে জল টুকু ছেকে নিয়ে আপনি পান করুন। সেক্ষেত্রে কি হয় ওই ভেন্ডির মধ্যে যে মিউসিলেজ বা পেকটিন নামের যে সলিউবেল ফাইবার সেটি জলের মধ্যে চলে আসে এবং আপনি যখন জলটি পান করেন সেই ফাইবার আপনার পেটের মধ্যে প্রবেশ করে এবং আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কে কম করতে সাহায্য করে। এক টেবিল স্পুন করে ইসুবগুল সারা দিনে দুইবার খাবার আগে যদি আপনি খেতে পারেন এই ইসুবগুলের মধ্যে হাইগ্রস্কপিক প্রপার্টিজ যেটি রয়েছে সেটি কিন্তু আপনার রক্ত থেকে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে এবং তার সাথে সাথে আমরা যখন ইসবগুল খাই তখন সেই ইসুবগুলের মধ্যে সলিউবেল ফাইবারটি রয়েছে সেটি আমাদের

ইন্টেসটাইন এর মধ্যে গিয়ে একটি পাতলা আস্তরণের সৃষ্টি করে। যে পাতলা আস্তরণ টি আমাদের খাবারের মাধ্যমে যে কোলেস্টেরল শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে সে কোলেস্টেরল গুলিকে সহজে আমাদের শরীরের মধ্যে অ্যাবজরব করতে পারেনা। তাই অবশ্যই আপনার সারাদিনের খাদ্য তালিকা তে ইসুবগুলকে রাখতে পারেন আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করার জন্য। 

রসুন : 

দুই কোয়া রসুন সকালবেলা ছিলে নিয়ে দশ মিনিটের জন্য খোলা বাতাসে রেখে দেন। ১০ মিনিট পরে সে রসুনের টুকরো এক গ্লাস কুসুম গরম জলের সাথে ট্যাবলেট এর মত গিলে খান আর না হলে চিবিয়ে খান। রসুনের মধ্যে যে অ্যালিসিন রয়েছে সে অ্যালিসিন আপনার রক্ত থেকে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে। সে অ্যালিসিন আপনার রক্ত থেকে ট্রাই গ্লিসারাইড এর মাত্রা কম করতে সাহায্য করে এবং আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকখানি কমিয়ে দেয়। 

গ্রীন লীফি ভেজিটেবিল : 

দেখুন সারাদিনের খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। Infact সারাদিনে আপনি যত পরিমাণ ভাত রুটি খান তার থেকে বেশি পরিমাণ শাকসবজি খেতে পারলে ভালো হয়। তার কারণ আপনি যত শাকসবজি খাবেন প্রত্যেকটি শাক সবজির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। যে ফাইবার আপনার রক্ত থেকে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কে কম করতে সাহায্য করে এবং তার সাথে সাথে প্রত্যেকটি শাক সবজির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে হাই কোয়ালিটির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যে সমস্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুলি আমাদের শরীরকে বিভিন্ন প্রকারের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে আপনার খাদ্য তালিকার মধ্যে পালংশাক রাখতে পারেন, ভেন্ডি রাখতে পারেন, বেগুন রাখতে পারেন, ব্রকলি রাখতে পারেন। এই সমস্ত সবজিগুলো আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে যথেষ্ট সহায়ক। 

মেথি : 

রাত্রিবেলা বিছানায় শুতে যাবার সময় এক চামচ মেথি দানা আপনি এক গ্লাস জলের মধ্যে ভিজিয়ে রেখে শুতে যান। তার পরের দিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মেথি দানা গুলি চিবিয়ে খান এবং ঐ জল আপনি পান করে নেন। এতে যদি কিছুদিন আপনি কনটিনিউ করতে পারেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনি খেয়াল করবেন আমাদের লিপিড প্রোফাইল এর রিপোর্ট এর মধ্যে বেশ কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তার কারণ মেথি দানার মধ্যে এক ধরনের মেডিসিনাল কম্পাউন্ড থাকে যার নাম হল স্তেরয়েডাল স্যাপোনিন। স্তেরয়েডাল স্যাপোনিন খুব সহজেই আমাদের রক্ত থেকে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল. টোটাল কোলেস্টেরল এবং ট্রাই গ্লিসারাইড এর মাত্রা কম করতে সাহায্য করে।

গিলয়ের জুস : 

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিদিন সকাল বেলা খালি পেটে 20ml গিলয়ের জুস এক গ্লাস কুসুম গরম জলের সাথে আপনি যদি পান করতে পারেন এই গিলয়ের জুস কিন্তু আপনার রক্ত থেকে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে এবং তার সাথে সাথে এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তার কারণ আপনি যখন নিয়মিতভাবে গিলয়ের জুস খান এ গিলয়ের জুস আপনার মেটাবলিজমকে ইমপ্রুভ করে, আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের অ্যাবজবশনকে কম করে এবং তার সাথে সাথে আমাদের শরীরের যে সমস্ত টক্সিন জমা হয়ে থাকে সে টক্সিন গুলিকে আমাদের শরীরের বাইরে প্লাস আউট করে দিতে সাহায্য করে এবং সে টক্সিনের সাথে সাথে আমাদের শরীরের মধ্যে অ্যাবজব না হওয়া যে সমস্ত কোলেস্টেরল রয়েছে সেগুলিকে শরীরের বাইরে স্টুলের মাধ্যমে বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই অবশ্যই আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য গিলয়কে সঙ্গী করতে পারেন।

কাঁচা হলুদ : 

৭টিরও বেশি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে আপনি যদি প্রতিদিন কাঁচা হলুদ খেতে পারেন, কাঁচা হলুদের মধ্যে যে অ্যাক্টিভ কম্পনেন্টস কারকিউমিন রয়েছে এ কারকিউমিন কিন্তু আপনার শরীরে ldl-c কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে। দেখুন ldl-c হল সেই কোলেস্টেরল যে কোলেস্টেরল আপনার হার্টের সমস্যার জন্য বেশি দায়ী এবং তার সাথে সাথে  hdl-c মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। hdl-c হলো সেই কোলেস্টেরল যে কোলেস্টেরল আপনার হার্টকে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। তাই অবশ্যই সারাদিনে যেকোনো একটা সময় আপনি কাঁচা হলুদ খেতে পারেন। অবশ্যই মনে রাখবেন কাঁচা হলুদ খাওয়ার সময় ৪-৫ দানা গোল মরিচ অবশ্যই খাবেন। তার কারন গোল মরিচের মধ্যে যে একটিভ কম্পোনেন্ট পিপারিন রয়েছে সেই পিপারিন কিস্তু ঐ কাঁচা হলুদের মধ্যে থাকা অ্যাক্টিভ কম্পনেন্টস কারকিউমিনের অ্যাবজবশনকে আপনার শরীরে বাড়িয়ে দেয় এবং এই কাঁচা হলুদ আপনার শরীরের জন্য বেশি উপকারী হয়ে ওঠে।


কোলেস্টেরল কমাতে কি খাবেন না?

এতক্ষন তো আমরা আলোচনা করলাম যে কোন খাবার গুলি আমাদের খাদ্য তালিকায় যুক্ত করলে সেই সমস্ত খাবারগুলো আমাদের রক্ত থেকে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করতে সাহায্য করে।

এখন আমরা জেনে নিব সেই সমস্ত খাবারগুলোর বিষয়ে, আপনার রক্তে যদি কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে তবে সেই খাবার গুলো কিন্তু ভুলেও খাবেন না।

রেডমিট :

সেই খাবার তালিকার সর্বপ্রথম রয়েছে রেডমিট। অর্থাৎ যেকোনো প্রকারের পশুর মাংশ থেকে আপনাকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে অর্গানমিট থেকে। অর্গানমিট অর্থাৎ যেকোনো পশু বা পাখির কিডনির মাংশ, লিভারের মাংশ, পাকস্থলীর মাংশ, হার্টের মাংশ এসমম্ত মাংশগুলো না খেতে পারলেই ভালো হয়। যেকোনো প্রকারের প্রসেসিং মিট এর থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। ডিপ ফ্রাইড আইটেম, জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড, এডেড সুগার, রিফাইন সুগার এ সমস্ত খাবার থেকে আপনাকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

ডিমের কুসুম সারা দিনে একটার বেশি খাবেন না। ধূমপান এবং মদ্যপান থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই দেখবেন আপনার রক্ত থেকে কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসছে। 

পোস্ট ট্যাগ:

কোলেস্টেরল থেকে মুক্তির উপায়,

কোলেস্টেরল লক্ষণ,

কোলেস্টেরল খাদ্য তালিকা,

কোলেস্টেরল এর ঔষধের নাম,

কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ,

কোলেস্টেরল কমাতে লেবু,

how to lower cholesterol quickly,

40 foods to lower cholesterol,

how to reduce cholesterol in 7 days,

lower cholesterol foods,

15 foods that lower cholesterol,

what is the best drink to lower cholesterol,

supplements to lower cholesterol,

foods that lower cholesterol fast,

how to reduce cholesterol,

cholesterol symptoms,

cholesterol foods,

cholesterol normal range,

cholesterol tablets,

cholesterol test,

cholesterol diet,

high cholesterol,

আশা করি আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। লেখাটি কেমন লাগলো তা কমেন্টে জানাতে পারেন। আর এরকম স্বাস্থ্য বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রতিদিন পেতে Solution Mind এর সাথেই থাকুন। আর এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।


Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url